👨🦱 ধারা টিভি নিউজ প্রতিবেদন
🔰প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩০ এএম | অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল ছাত্রসংসদ আয়োজিত ‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’ শেষে বেঁচে যাওয়া টাকা হল প্রশাসনের কাছে ফেরত দিয়ে সততার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ।
উৎসব শেষে হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. নাঈম ইসলাম আয়-ব্যয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব প্রকাশ করেন। এরপরই উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি সবার নজরে আসে।
উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভিপি মো. নাঈম ইসলাম বলেন, “আমি ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী। এই সংগঠন সবসময় আমাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে। একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক ছাত্রসংগঠন হিসেবে আমরা প্রতিটি কাজে সততা, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি।”
তিনি আরও বলেন, “‘বৈশাখী উৎসব-১৪৩৩’ আয়োজনেও আমরা আয়-ব্যয়ের প্রতিটি হিসাব সংরক্ষণ ও উপস্থাপন করেছি। এমনকি বস্তা ফেরত দিয়ে প্রাপ্ত অর্থও যথাযথভাবে প্রভোস্ট স্যারের কাছে হস্তান্তর করেছি।”
এই টাকা অন্য কোনো খাতে ব্যবহার করা যেত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে হল প্রাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে অন্য কাজে টাকা নিয়ে কাজ করবো এবং টাকা অতিরিক্ত হলে আবারও ফেরত দেবো।”
এ বিষয়ে সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হারুনর রশিদ বলেন, “হল প্রশাসন থেকে ১২ হাজার এবং রাকসু থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল বৈশাখী উৎসবের জন্য। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বৃত্ত ৫ হাজার ৭৪২ টাকা তারা আমার কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা হবে।”
✍️ প্রতিবেদক:
মো: গোলাম কিবরিয়া,
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

0 মন্তব্যসমূহ