🔰প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ
চারজনের বিরুদ্ধে কৃষকের এজাহার, পূর্ববিরোধের জেরে ফসল নষ্টের দাবি
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নে ছত্রাকনাশক স্প্রে করে এক কৃষকের প্রায় সাড়ে ৪ বিঘা জমির ধান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক সাদেকুল ইসলাম।
ভুক্তভোগী কৃষক সাদেকুল ইসলাম জানান, তিনি বর্গা নিয়ে ওই জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। ধান চাষে বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরি ও পরিচর্যাসহ বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর যখন ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই জমির ধান শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
কৃষকের অভিযোগ, রাতের আঁধারে বা গোপনে জমিতে ছত্রাকনাশক স্প্রে করে ধান নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতে তার প্রায় সাড়ে ৪ বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমের পুরো ফসল হারিয়ে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানান।
সাদেকুল ইসলাম ও তার পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে মিজান নামে এক ব্যক্তি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন। এর আগে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তবে কৃষকের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিজান। তিনি বলেন, “আমি ধানক্ষেতে কোনো ছত্রাকনাশক স্প্রে করিনি। ধান নষ্টের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
এ ঘটনায় কৃষক সাদেকুল ইসলাম চারজনের নাম উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও ধানক্ষেত কীভাবে নষ্ট হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ছবির ক্যাপশন: এজাহারভুক্ত আসামি, ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত ও ভুক্তভোগী কৃষক।
✍️ প্রতিবেদক:
মোহাম্মদ তোফাজ্জল ইসলাম মুন্না বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রতিনিধ:

0 মন্তব্যসমূহ