👨🦱 ধারা টিভি নিউজ প্রতিবেদন
🔰প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ
ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা ঘিরে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন আশাবাদ। (২০ মে) বুধবার বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্টরা বিমানবন্দর চালুর সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষ করে কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলের কৃষকরা বিমান পরিবহনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ে বিভিন্ন স্থানে কৃষিপণ্য পাঠাতে পারবেন। এতে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়াও শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন খাতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ কিংবা দেশের বড় শহরগুলোতে যাতায়াত অনেক সহজ হবে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে ঠাকুরগাঁও আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে মত প্রকাশ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, বিমানবন্দরটি চালু হলে নতুন শিল্প-কারখানা, হোটেল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগে জেলাবাসীর মাঝে ইতোমধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করে বিমানবন্দর চালুর দাবি জানান।
✍️ প্রতিবেদক:
আবু সুফিয়ান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার:

0 মন্তব্যসমূহ