👨🦱 ধারা টিভি নিউজ প্রতিবেদন
🔰প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪১পিএম | অনলাইন সংস্করণ
![]() |
| সংগৃহীত ছবি : |
থানায় অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে যৌতুকের দাবিকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে মারধর ও তার পিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আজাহার আলীর মেয়ে মোছাঃ আয়শা সিদ্দিকা সোমার সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে একই এলাকার মোঃ আব্দুল বারিক তশিলদারের ছেলে মোঃ শাহাদত হোসেন সোহাগের ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমহর নির্ধারণ করা হয় এবং কনের পরিবার ৫ ভরি স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র প্রদান করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামীর চাকরির কথা বলে ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও ১০ লাখ টাকা ও পিতার বাড়ির জমি দাবি করা হলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গৃহবধূর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্বামী সোহাগ লাঠি দিয়ে মারধর ও লাথি মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে তার পিতা আজাহার আলী ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত সোহাগ ধারালো দা দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় ছোট বোন ছামিহা খাতুন (৮) আহতদের উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর মোঃ শাহাদত হোসেন সোহাগ, মোছাঃ ছাহেরা বেগম ও মোঃ আব্দুল বারিক তশিলদারের বিরুদ্ধে ভুরুঙ্গামারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিম উদ্দিন জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাহিমুল ইসলাম সজীব
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

0 Comments